বার্তা সংস্থা আবনার রিপোর্ট : ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রামের মুখপাত্র বারি কিম বলেন, চাষাবাদ উপযোগী জমির স্বল্পতার কারণে ইয়েমেন প্রয়োজনীয় খাদ্যের বেশিরভাগই আমদানী করে। কিন্তু বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজারে খাদ্য এবং জ্বালানী’র দাম লক্ষ্যণীয় হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় ব্যাপক খাদ্য সংকটে ভুগছে এ দেশের জনগণ।
তিনি বলেন : ইয়েমেনের ৫০ লাখ তথা এদেশের মোট জনসংখ্যার শতকরা ২২ ভাগ জনগণ নিজেদের খাদ্য সংগ্রহে সক্ষম নয় বা পরিমাণ মত খাদ্য ক্রয় করতে পারে না। ইয়েমেনের অধিকাংশ জনগণই হচ্ছে দিনমজুর এবং তাদের নিজস্ব কোন জমি নেই। এ কারণেই তারা তাদের প্রয়োজনীয় খাদ্য-শষ্য ফলাতে সক্ষম নয় এবং আন্তর্জাতিক বাজারে খাদ্য পন্যের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় তারা তাদের চাহিদা অনুযায়ী খাদ্য কিনতেও পারছে না।
তিনি বলেন : ইয়েমেনের আরো ৫০ লাখ জনগণ খাদ্যের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। সুতরাং বর্তমানে প্রতিদিন ক্ষুধার্ত পেটে ঘুমায় এক কোটি ইয়েমেনি।
তিনি আরো বলেন : খাদ্য সংকট ছাড়াও দেশটির জনগণ অস্থিতিশীলতা, সহিংস সংঘর্ষ, বিভিন্ন সন্ত্রাসী হামলার মুখোমুখি।
ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রামের মুখপাত্র বলেন : ইয়েমেনের শতকরা ১৩ শতাংশ শিশু পুষ্টিহীনতায় ভুগছে। শিশুপুষ্টি হীনতার দিক থেকে ইয়েমেন বিশ্বের তৃতীয় দেশ হিসেবে এ তালিকাভূক্ত।#