৫ অক্টোবর ২০১২ - ২০:৩০

ইরানের হাওযা ইলমিয়া প্রধান বলেছেন : আহলে বাইত (আ.) এর শিক্ষা ও গাদ্বীরের ঘটনা এতটাই আকর্ষণীয় যে, যারা আহলে বাইত (আ.) এর অনুসারী নয় তাদেরকেও প্রভাবিত করতে সক্ষম।

আহলে বাইত (আ.) বার্তা সংস্থা আবনার রিপোর্ট : আয়াতুল্লাহ হাশেমী হুসাইনি বুশাইহরী বলেছেন : প্রকৃত অর্থে গাদ্বীর হচ্ছে শিয়াদের পরিচয়। অর্থাত যদি একজন শিয়া সম্পর্কে একটি বায়োগ্রাফী তৈরী করতে চাই তবে তাকে ঐ সকল বৈশিষ্ট্যের অধিকারী হতে হবে যার প্রত্যেকটি মহানবী (স.) গাদ্বীরের দিনে নির্ধারণ করেছেন, আর আমিরুল মু’মিনীন [আলী] (আ.) ও আহলে বাইত (আ.) হচ্ছে শিয়াদের অনুকরণীয় আদর্শ।

তিনি গাদ্বীর বিষয়ক আন্তর্জাতিক সভার প্রতি ইশারা করে বলেন : গাদ্বীরের অনুষ্ঠানকে জাকজমকপূর্ণ এবং নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য নিয়ে আয়োজনের সর্বাত্মক চেষ্টা চালাতে হবে। এ অনুষ্ঠান শুধুমাত্র আহলে বাইত (আ.) এর অনুসারীদের জন্য শিক্ষণীয় নয় এবং তাদেরকে প্রভাবিত করেনা, বরং আহলে বাইত (আ.) এর সুউচ্চ শিক্ষা এবং গাদ্বীরের ঘটনা এমন আকর্ষণের অধিকারী যে, আহলে বাইত (আ.) এর অনুসারী নয় এমন ব্যক্তিকেও প্রভাবিত করতে সক্ষম।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচন পরিষদের সদস্য এ সভার আয়োজকদের জন্য সাফল্যতা ও সুস্থতা কামনা করেন।

বলাবাহুল্য, গাদ্বীর উদযাপন কমিটির উদ্যোগে এবং আহলে বাইত (আ.) বিশ্বসংস্থা ও ইমাম সাদিক (আ.) বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতায় গাদ্বীর দশক বিষয়ক আন্তর্জাতিক সভা আগামী সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

আন্তর্জাতিক এ সভা আগামী ১১ই অক্টোবর শনিবার সকাল ৯টা হতে বিকেল ৬টা নাগাদ, শহীদ চামরান স্ট্রীটে অবস্থিত ইমাম সাদিক (আ.) বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হবে।

উল্লেখ্য, আয়াতুল্লাহ আব্দুল্লাহ নাযারী খাদেম আল-শারিয়াহ’র তত্ত্বাবধানে ইরানের মাযান্দার শহরের গাদ্বীর উদযাপন কমিটি তত্পরতা চালায়। এ কমিটি প্রতি বছর সাধারণ জনতা ও সাংস্কৃতিক বিভিন্ন সংস্থার সহযোগিতায় ১০ই জিলহজ্ব (পবিত্র ঈদুল আযহা) হতে ১৮ই জিলহজ্ব (ঈদে গাদ্বীর) নাগাদ দশদিন ব্যপী বিশেষ আনন্দ মাহফিলের আয়োজন করে থাকে।#