বার্তা সংস্থা আবনা : একমাত্র প্রার্থী হওয়ায় নির্বাচন কমিশন তাকে নয়া রাষ্ট্রপ্রধান ঘোষণার দু’দিন পর তিনি বুধবার শপথ গ্রহণ করেন। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বঙ্গভবনের দরবার হলে ভারপ্রাপ্ত স্পিকার শওকত আলী নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতিকে শপথবাক্য পাঠ করান। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শপথ অনুষ্ঠানে মন্ত্রিসভার সদস্যসহ কয়েকশ’ বিশিষ্ট অতিথি নিয়ে অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন কেবিনেট সচিব মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া। নয়া রাষ্ট্রপতির পরিবারের সদস্যরা এ অনুষ্ঠানে অংশ নেন। অনুষ্ঠানে প্রধান বিচারপতি মোঃ মোজাম্মেল হক, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টাগণ, সুপ্রিমকোর্টের বিচারপতি, রাজনৈতিক নেতারা, সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর প্রধানরা, কূটনীতিক, সম্পাদকসহ সিনিয়র সাংবাদিকরা এবং ঊর্ধ্বতন বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। নির্বাচন কমিশন রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের সময় অতিবাহিত হওয়ার পর সোমবার দেশের নতুন রাষ্ট্রপতি হিসেবে আবদুল হামিদের নাম ঘোষণা করেন। তিনি ছিলেন ক্ষমতাসীন দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত একমাত্র প্রার্থী। বর্তমান সংসদের স্পিকার আবদুল হামিদ রাষ্ট্রপতি জিলুর রহমান অসুস্থ হয়ে সিঙ্গাপুরে চিকিত্সার জন্য যাওয়ার পর সংবিধান অনুযায়ী ১৪ মার্চ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। রাষ্ট্রপতি জিলুর রহমান সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করায় ২০ মার্চ রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হয়। আবদুল হামিদ দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সহযোগী ছিলেন এবং একজন বিশ্বস্ত হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তাহের উদ্দিন ও মরহুমা তমিজা খাতুনের ছেলে হামিদ ১৯৪৪ সালের ১ জানুয়ারি কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলার কামালপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। আওয়ামী লীগ সংসদীয় দল আবদুল হামিদকে দলের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন। দলের প্রেসিডিয়াম সদস্যরা রাষ্ট্রপতি পদের জন্য প্রার্থী হিসেবে আবদুল হামিদের নাম প্রস্তাব করেন। বিএনপিসহ কোন রাজনৈতিক দল তার বিরোধিতা করেনি। এমনকি সরকারি দলের প্রার্থীর বিরুদ্ধে কোন দল প্রার্থী দেয়নি।# বাসস
২৪ এপ্রিল ২০১৩ - ১৯:৩০
News ID: 412723
প্রবীণ রাজনীতিক ও বিশিষ্ট পার্লামেন্টারিয়ান মোঃ আবদুল হামিদ অ্যাডভোকেট দেশের ২০তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিয়েছেন।