আহলে বাইত (আ.) বার্তা সংস্থা আবনার রিপোর্ট : সিরিয় টেলিভিশন ঘোষণা করেছে যে, জিবহাতুন নুসরাহ’র শীর্ষ নেতা ‘আবু মুহাম্মাদ জোলানী’ লাযিকিয়া অঞ্চলে নিহত হয়েছেন।
জোলানী ইতিপূর্বে দায়েশ (দৌলাতুল ইসলামি আল-ইরাক ওয়াশ-শাম)-এর সন্ত্রাসীদের পাশে থেকে ইরাকে তত্পর ছিলেন। সিরিয়ায় সংঘর্ষ শুরু হওয়ার পর তিনি সিরিয়ায় যান এবং সিরিয়া সরকারের বিরুদ্ধে সবচেয়ে ভয়ানক ও হিংস্র সন্ত্রাসী দল ‘জিবহাতুন নুসরাহ’ প্রতিষ্ঠা করেন যা মূলতঃ আল-কায়েদার শাখা সংগঠন হিসেবে বিবেচিত। এ সন্ত্রাসী দলটি সিরিয়া সংকট বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
জিবহাতুন নুসরাহ’র নেতা সিরিয়ার জনগণের উদ্দেশ্যে বলেছিলেন : হে সিরিয়ার জনগণ! আজ বিভিন্ন জাতি ও শত্রুরা মুসলমানদের সাথে যুদ্ধ করছে। আমাদের এ মুভমেন্ট (জিবহাতুন নুসরাহ) সিরিয়ায় এ বিষয়টি প্রমাণ করতে পেরেছে যে মধ্যপ্রাচ্যে ইসলাম ধর্মের হারানো ভাবমূর্তি পূনরায় ফিরিয়ে আনতে সক্ষম!
সিরিয়া সরকারের বিরুদ্ধে রাসায়নিক অস্ত্র বিষয়ক ষড়যন্ত্রের মূল হোতা মুহাম্মাদ জোলানী, বাশার আসাদের বিরুদ্ধে গাওতা অঞ্চলের জনগণের ওপর রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহারের অভিযোগ আরোপের জোর চেষ্টা চালিয়েছিলেন।
তিনি ঘোষণা করেছিলেন যে, আমরা যুদ্ধের শুরু থেকেই এ কথা ঘোষণা করেছি যে, শামের (সিরিয়া) জনগণের উপর যখনই কোন রাসায়নিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হবে আমরা এর জবাব শিয়া অধ্যুষিত গ্রামসমূহে হামলার মাধ্যমে প্রদান করবো এবং এ হামলার মূল্য কোন না কোন শিয়া গ্রামকেই দিতে হবে।
তিনি আরো বলেছিলেন : গাওতা শাম অঞ্চলে নিহত ব্যক্তিদের প্রতিশোধ নিতে আমরা তাদের বিভিন্ন এলাকাকে লক্ষ্য করে ১ হাজার ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করবো, কেননা সুন্নিদের রক্ত মূল্যহীন নয়!