বার্তা সংস্থা আবনা : বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে গজারিয়া উপজেলার দৌলতদিয়ায় নদীতে ডুবে যায় মিরাজ-৪ নামের লঞ্চটি। মুন্সীগঞ্জের জেলা প্রশাসক সাইফুল হাসান বাদল বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা পর্যন্ত নদী থেকে ১২ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
এখনো শতাধিক যাত্রী নিখোঁজ রয়েছেন বলে উদ্ধার যাত্রীরা জানিয়েছেন।
নিহতদের মধ্যে তাৎক্ষণিকভাবে পাঁচজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা হলেন- শরিয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার পাঁচগাও গ্রামের জামাল হোসেন শিকদার (৫০), তার ছেলে আবিদ হোসেন শিকদার (২৮), টুম্পা বেগম (৩০), সেতার বেগম (৫০) ও আরিফ (১১)।
নিহত টুম্পার স্বামী লিটনও ওই লঞ্চে ছিলেন।
তিনি সাংবাদিকদের জানান, তার আট বছরের মেয়ে সুমনা ও ছয় বছরের ছেলে মাহিম এখনো নিখোঁজ রয়েছে।
মুন্সীগঞ্জের ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার জাকির হোসেন জানান, ওই লঞ্চটিতে দুইশ’ যাত্রী ছিলেন।
কোস্ট গার্ড, জেলা প্রশাসন ও স্থানীয় জনতা লঞ্চের যাত্রীদের উদ্ধারে কাজ করে যাচ্ছেন।
নারায়ণগঞ্জ থেকে ছেড়ে আসা দুর্বার ও প্রত্যয় নামে দুটি উদ্ধারকারী জাহাজ সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছে লঞ্চটি উদ্ধারে কাজ শুরু করেছে।
সদরঘাটের বিআইডব্লিউটিএর পরিবহন পরিদর্শক (টিআই) মো. মাহমুদ হোসেন জানান, দুপুর ১টার সময় মিরাজ-৪ সদরঘাট টার্মিনাল ছেড়ে যায়।
মাঝারি আকারের লঞ্চটিতে কত যাত্রী ছিল তার সঠিক সংখ্যা জানাতে পারেননি তিনি।
এদিকে লঞ্চডুবির ঘটনা তদন্তে একটি কমিটি গঠন করেছে সমুদ্র পরিবহন অধিদপ্তর।
নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম খান জানান, নৌ-বাণিজ্য অধিদপ্তরের ইঞ্জিনিয়ার অ্যান্ড শিপ সার্ভেয়ার এ এস এম সিরাজুল ইসলামকে প্রধান করে তিন সদস্যের এই কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কমিটির অন্য দুই সদস্য হলেন-সমুদ্র পরিবহন অধিদপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাইফুল হাসান ও একই অধিদপ্তরের মুখ্য পরিদর্শক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. শফিকুর রহমান।
কমিটিকে সাত দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
(সূত্র : বিডিনিউজ২৪, মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি)
১৫ মে ২০১৪ - ১৪:৪১
News ID: 608864
রাজধানীর সদরঘাট থেকে শরীয়তপুরের সুরেশ্বর যাওয়ার পথে প্রায় দুইশ যাত্রী নিয়ে একটি লঞ্চ ঝড়ের কবলে পড়ে মেঘনায় ডুবেছে।