১১ জুলাই ২০১৪ - ১৫:০৪
ইস্তাম্বুলে শিয়া মসজিদে অগ্নিসংযোগ + ছবি

তুরস্কের বিশ্ব জাফরি শিয়া ওলামা ইউনিয়নের প্রধান বলেছেন : ইস্তাম্বুলের এসেন ইওর্ট এলাকায় অবস্থিত শিয়া মসজিদে অগ্নিসংযোগের নেপথ্যে রয়েছে সালাফি চিন্তাধারা ও আল-কায়েদার সমর্থকরা। ১০ দিন পূর্বে ইস্তাম্বুলের এসেন ইওর্ট এলাকার মুহাম্মাদি মসজিদের পেশ ইমামকে হুমকি দিয়েছিল অজ্ঞাত ব্যক্তিরা।

আহলে বাইত বার্তা সংস্থা (আবনা) : গত ৯ই জুলাই ইস্তাম্বুলের শিয়াদের ‘মুহাম্মাদিয়া’ মসজিদে অগ্নিসংযোগ করেছে অজ্ঞাত ব্যক্তিরা। গত সপ্তাহে এ মসজিদের মুসল্লিদের উদ্দেশ্যে হুমকি দিয়ে চিঠি দেয়ার পর এ অগ্নিকাণ্ড ঘটানো হয়। অগ্নিকাণ্ডে মসজিদের মিম্বর ও গ্রন্থাগার অগ্নিদগ্ধ হয়েছে। তবে এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি। ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।
এদিকে শিয়া ও আলাভিদের বিরুদ্ধে সালাফিদের ষড়যন্ত্রের বিষয়ে সতর্ক করে দিয়েছে তুরস্কের শিয়া ওলামা সোসাইটি। তুরস্কের শিয়া ওলামা সোসাইটির প্রধান ‘হাসান কারাবুলুত’ এ ঘটনার সাথে জড়িতদের দ্রুত চিহ্নিত করে গ্রেফতার ও দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবী জানিয়েছে সরকারের প্রতি।
তিনি বলেন : এ ধরনের ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে ইসলামের শত্রুরা এবং আইএসআইএল ও আন-নুসরার সাথে সম্পৃক্ত বিভিন্ন সালাফি দল। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উচিত শিয়া ও আলাভিদেরকে এ ধরনের ষড়যন্ত্রের হাত থেকে নিরাপদ রাখতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা।
তুরস্কের বিশ্ব জাফরি শিয়া ওলামা ইউনিয়নের প্রধান বলেছেন : ইস্তাম্বুলের এসেন ইওর্ট এলাকায় অবস্থিত শিয়া মসজিদে অগ্নিসংযোগের নেপথ্যে রয়েছে সালাফি চিন্তাধারা ও আল-কায়েদার সমর্থকরা।
তুরস্কে প্রকাশিত দৈনিক মিল্লিয়াতের নিজস্ব ওয়েব সাইটে উল্লেখ করা হয়েছে, হাসান কারাবুলুত গত পরশু ইস্তাম্বুলে সাংবাদিকদেরকে দেয়া এক সাক্ষাতকারে বলেন : ১০ দিন পূর্বে ইস্তাম্বুলের এসেন ইওর্ট এলাকার মুহাম্মাদি মসজিদের পেশ ইমামকে হুমকি দিয়েছিল অজ্ঞাত ব্যক্তিরা।
তুরস্কের মত দেশে মসজিদে অগ্নিসংযোগের বিষয়টি চিন্তার উর্ধ্বে –এ কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন : দুঃখজনকভাবে পবিত্র রমজান মাসে এ অগ্নিকাণ্ড ঘটানো হয়েছে এবং মসজিদ ও এর অভ্যন্তরে থাকা সকল কুরআন শরিফ অগ্নিদগ্ধ হয়েছে। তিনি বলেন, ইসলামের শত্রুদের কর্মসূচী বাস্তবায়নের পথে এ পদক্ষেপ গৃহীত হয়েছে।
সাক্ষাতকারে এ ধরনের হামলা রোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি বলে তুরস্কের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন হাসান কারাবুলুত।
পবিত্র রমজান মাসে মসজিদে অগ্নিসংযোগের মত ঘটনা সত্যিই দুঃখজনক –এ কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন : এ ঘটনার সাথে জড়িতদেরকে অনতিবিলম্বে গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করতে হবে।
কারাবুলুত বলেন : বর্তমানে তুরস্কের জাফরি শিয়া ও আলাভিরা সালাফি চিন্তাধারার সমর্থকদের হুমকির সম্মুখীন।#