আবনা : প্রথমবারের মতো ইরান ঘুরে গেল চীনা নৌবহর। এটি পাঁচ দিন ধরে ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় ‘বন্দর আব্বাসে’ অবস্থান করেছে। চীনের এ নৌবহরে ছিল মিসাইল ডেস্ট্রয়ার ‘চ্যাংচুন’ ও মিসাইল ফ্রিগেট ‘চ্যাংঝু’।
‘বন্দর আব্বাসে’ অবস্থানকালে চীনা নৌবহর ইরানের সঙ্গে যৌথ নৌমহড়াতেও অংশ নিয়েছে। নৌমহড়াটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। ইরানি নৌ কমান্ডার ও স্থানীয় সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গেও বৈঠক করেছেন চীনা নৌ কমান্ডারেরা।
ইরানের ফার্স্ট নাভাল জোন কমান্ডার আমির হোসেইন আজাদ বলেছেন, “দ্বিপক্ষীয় ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক জোরদারের লক্ষ্যে এক দেশের নৌবহরের অন্য দেশে যাওয়ার রীতি রয়েছে। চীনের নৌবাহিনীর পাশাপাশি দেশটির সঙ্গে রাজনৈতিক সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ করার নীতি গ্রহণ করেছে ইরান। এরই অংশ হিসেবে ইরানে চীনা নৌবহরের উপস্থিতি পরস্পরের মধ্যে কারিগরি জ্ঞান বিনিময় ও সহযোগিতা জোরদারের সুযোগ সৃষ্টি করেছে।”
ইরানে নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত পেং সেন বলেছেন, “সুপ্রাচীন ‘সিল্ক রোড’ দিয়েই তেহরান ও বেইজিং’র মধ্যে সম্পর্কের সূচনা হয়েছিল। আমরা এখন সেই সিল্ক রোড পুনরুদ্ধার করছি। দুই দেশের সুসম্পর্ক ও সহযোগিতাকে জোরদার করতেই চীনা নৌবহর ইরান এসেছিল।”
চলতি সেপ্টেম্বরেই ইরানের নৌবাহিনী এডেন উপসাগরে চীনের একটি কন্টেইনার জাহাজকে জলদস্যুদের আক্রমণ থেকে রক্ষা করেছে। #
২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৪ - ১২:৪৪
News ID: 640356
প্রথমবারের মতো ইরান ঘুরে গেল চীনা নৌবহর। এটি পাঁচ দিন ধরে ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় ‘বন্দর আব্বাসে’ অবস্থান করেছে।