(ABNA24.com) ভারতের পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতাসীন তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যোগ দেয়ার হিড়িক পড়ায় কার্যত দলটিতে ধস নেমেছে। গতকাল (মঙ্গলবার) বীজপুরের তৃণমূল বিধায়ক শুভ্রাংশু রায়, হেমতাবাদের সিপিএম বিধায়ক দেবেন্দ্র রায় এবং বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরের কংগ্রেস বিধায়ক তুষারকান্তি ভট্টাচার্য বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। এরফলে রাজ্য রাজনীতিতে নয়া সমীকরণ সৃষ্টি হয়েছে। বিধায়ক তুষারকান্তি দাস অবশ্য সম্প্রতি তৃণমূল শিবিরে ছিলেন।
এছাড়া কাঁচরাপাড়া, হালিশহর ও নৈহাটি পৌরসভার মোট ৬৩ জন কাউন্সিলার একসঙ্গে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। এরফলে কাঁচরাপাড়া, হালিশহর, নৈহাটি এবং ভাটপাড়াসহ মোট চারটি পৌরসভা তৃণমূলের হাতছাড়া হতে চলেছে।আগামী দিনে তৃণমূল বিরোধী দলের মর্যাদাও পাবে না বলে কটাক্ষ করেছেন, বিজেপি নেতা মুকুল রায়।
বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা কৈলাশ বিজয়বর্গীয় বলেছেন, ‘বাংলায় যেমন ৭ দফায় ভোট নির্বাচন হয়েছে, তেমনি ৭ দফায় দলবদল হবে।’
রাজ্যের ক্ষমতাসীন তৃণমূল যে এসব ঘটনায় বেশ চাপে পড়েছে তা পৌরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের মন্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে। ফিরহাদ হাকিম বলেছেন, ‘ঝড়ের মুখে যখন ‘জাহাজ টলমল’ করে, তখন জাহাজের ইঁদুরেরা প্রথমে সমুদ্রে ঝাঁপ দেয়। বাঁচার জন্য কোথায় ঝাঁপাচ্ছে, বুঝতে পারে না! এখানেও একটা দল কয়েকটা আসন পেয়েছে বলে যারা চাপের মুখে বা ভয়ে মাথা নত করে পালাচ্ছে, তারা কেউ আদর্শের রাজনীতি করেন না। আদর্শের রাজনীতি করলে, না পালিয়ে এর বিরুদ্ধে লড়াই করতেন।’
এদিকে, বিজেপির কেন্দ্রীয় সম্পাদক রাহুল সিনহার দাবি, ‘আর ৬ মাস থেকে এক বছরের মধ্যে বিধানসভা ভোট হবে। ২০২১ পর্যন্ত তৃণমূল সরকার চলবে না।’ তৃণমূল নেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের অবশ্য দাবি, যা হওয়ার হয়ে গেছে। দল ভাঙিয়ে ভোট এগিয়ে আনার কোনো সম্ভাবনা নেই। ইতোমধ্যেই দলে ক্ষত মেরামত ও বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে ভাবনাচিন্তা শুরু হয়েছে।#
/129
৩০ মে ২০১৯ - ০৪:২৭
News ID: 945248
ভারতের পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতাসীন তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যোগ দেয়ার হিড়িক পড়ায় কার্যত দলটিতে ধস নেমেছে। গতকাল (মঙ্গলবার) বীজপুরের তৃণমূল বিধায়ক শুভ্রাংশু রায়, হেমতাবাদের সিপিএম বিধায়ক দেবেন্দ্র রায় এবং বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরের কংগ্রেস বিধায়ক তুষারকান্তি ভট্টাচার্য বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। এরফলে রাজ্য রাজনীতিতে নয়া সমীকরণ সৃষ্টি হয়েছে। বিধায়ক তুষারকান্তি দাস অবশ্য সম্প্রতি তৃণমূল শিবিরে ছিলেন।