আহলে বাইত (আ.) বার্তা সংস্থা (আবনা): জেনারেল কাসেম সোলাইমানি ও আবু মাহদি আল-মুহানদিসের মার্কিন বিমান হামলায় শাহাদতের ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় গতরাতে (৩ জানুয়ারি) ইরানের ২নং চ্যানেলে উপস্থিত হয়ে এ হত্যাকাণ্ডের প্রতিশোধের বিষয়ে কথা বলেছেন ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের নীতি নির্ধারণী পরিষদের প্রধান এবং বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর সাবেক কমান্ডার মোহসেন রেজায়ী।
তিনি বলেন: মহান আল্লাহর অনুগ্রহে আমরা অবশ্যই এর প্রতিশোধ নেব। প্রথমত আমি অনুরোধ করবো যাতে ইরানের জনগণ ধৈর্য্য ধারণ করে। কারণ সামরিক পদক্ষেপের নিজস্ব কিছু নীতি-পদ্ধতি রয়েছে। আমরা যতবেশী এই নীতি ও পদ্ধতি মেনে অগ্রসর হব, আমাদের আঘাত ততবেশী শক্তিশালী ও ভয়ংকর হবে। আমরা গতরাত থেকে মার্কিনীদের সমস্ত বিমান ঘাঁটি, রনতরি এবং মধ্যপ্রাচ্যে তাদের কেন্দ্রগুলোর উপর নজর রাখছি। এর মাধ্যমে আমরা আমাদের তথ্যগুলোকে আরো সূক্ষ্ম করছি।
তার সংযোজন: ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলনের যোদ্ধারা সকলেই লেবানন, সিরিয়া, ইরাক ও ইয়েমেনসহ অন্যান্য এলাকায় যেগুলোর নাম আমি উল্লেখ করতে চাচ্ছি না প্রস্তুত হচ্ছে, একটি পদক্ষেপের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে।
মোহসেন রেজায়ী আরও জানান: এ বিষয়ে আমাদের হিসাব-নিকাশ অব্যাহত রয়েছে, আমাদের সহযোদ্ধারা বর্তমানে এ বিষয়ের উপর কাজ করছেন; তারা বিষয়টি নিয়ে ভাবছেন এবং পরিকল্পনা করছেন। কিন্তু এ প্রতিশ্রুতি জনগণকে দিতে চাই, এই নিশ্চিত প্রতিশ্রুতি দিতে চাই যে, আমাদের প্রতিশোধ হবে অত্যন্ত কঠিন। যা হবে আমেরিকার প্রশাসকদের জন্য স্মরণীয় ও ঐতিহাসিক। এমন কিছু করবো, শুধু আমেরিকা কেন অন্য কোন দেশই যেন ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধের ধৃষ্টতা না দেখায় এবং সামরিক ও আন্তর্জাতিক আইন মান্য করে। অতএব, ইরানের জনগণ নিশ্চিত থাকুন যে, আমরা আমাদের প্রতিশ্রুতির উপর রয়েছি, ধৈর্য্য ধরুন ইনশা আল্লাহ আপনারা দেখবেন যে, ইরান এবং অন্যান্য দেশে আপনাদের সন্তানরা কি করতে পারে।
প্রশ্ন: আমেরিকার হামলার জবাবে ইরানের সামনে কি কোন বাধা রয়েছে, এক্ষেত্রে আমাদের হাত কি খোলা না কি বন্ধ?
রেজায়ী: না, আমাদের সামনে সামনে কোন সীমাবদ্ধতা নেই।#