৬ জানুয়ারী ২০২৬ - ০৬:৩৪
হোসাইনি দালানে হযরত যায়নাব (সা.আ.)-এর শাহাদাত বার্ষিকীতে শোক মজলিস

মজলিসে দোয়া-মোনাজাতের মাধ্যমে হযরত যায়নাব (সা.আ.)-এর আত্মত্যাগের স্মরণ করা হয়।

আহলে বাইত (আ.) বার্তা সংস্থা (আবনা): মজলিসে বক্তব্য রাখেন হুজ্জাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলিমিন মাওলানা হাশেম আব্বাস, হযরত যায়নাব (সা.আ.)-এর জীবনী, তাঁর অবদান এবং কারবালার পরবর্তী সময়ের নেতৃত্বমূলক ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করেন।




জনাব হাশেম আব্বাস বলেন, “হযরত যায়নাব (সা.আ.) হিজরি ৫ বা ৬ সালের ৫ই জমাদিউল উলা, মদিনায় জন্মগ্রহণ করেন। পিতা ছিলেন আমীরুল মু’মিনীন হযরত আলী (আ.) এবং মাতা হযরত ফাতিমা যাহরা (সা.আ.)। তাঁর স্বামী ছিলেন আব্দুল্লাহ ইবনে জাফর। 

হযরত জয়নাব (সা.আ.) ছিলেন অসাধারণ বুদ্ধিমত্তা, স্মৃতিশক্তি ও ধৈর্যের অধিকারিণী। তিনি শৈশবকাল থেকেই গুরুত্বপূর্ণ ইসলামি শিক্ষা ও ভাষণ মুখস্থ করতে পারতেন। কারবালা পরবর্তী বন্দিত্বের সময়ও তাঁর বজ্রকণ্ঠ ভাষণ ও দূরদর্শী নেতৃত্ব কারবালার চিরন্তন বার্তা বিশ্ববাসীর কাছে পৌঁছে দেয়।

কারবালার ঘটনার পর হযরত জয়নাব (সা.আ.) প্রায় এক বছর ছয় মাস জীবিত ছিলেন। কুফা ও শামে বন্দিত্বকালে তিনি ও ইমাম সাজ্জাদ (আ.) যৌথভাবে কারবালার বন্দিদের নেতৃত্ব দেন। শামের দরবারে তাঁর ভাষণ ইয়াজিদের বিজয়োৎসবকে শোক ও লজ্জায় রূপান্তরিত করেছিল।

 হাশেম আব্বাস বলেন, “হযরত যায়নাব (সা.আ.) বন্দিত্বের মধ্য দিয়ে ইসলামের চিরন্তন বার্তা বিশ্বের কাছে পৌঁছে দিয়েছেন। এটি আমাদের জন্য সাহস ও ধৈর্যের এক অনুপ্রেরণা।”

হযরত যায়নাব (সা.আ.)-এর শাহাদত সম্পর্কে ঐতিহাসিকদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। প্রসিদ্ধ মতানুসারে তিনি হিজরি ৬২ সালের ১৫ রজব, রবিবার শাহাদত বরন করেন।

Tags

Your Comment

You are replying to: .
captcha