আহলে বাইত (আ.) বার্তা সংস্থা (আবনা): যুদ্ধবিরতির এই উদ্যোগ মার্কিন প্রেসিডেন্ট এবং ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ কর্তৃক অনুমোদিত হয়েছে।
সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিবালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে যে, ইরান ও মার্কিন প্রতিনিধিদলের মধ্যে আলোচনা ১১ এপ্রিল ইসলামাবাদে শুরু হবে।
কিন্তু যুদ্ধবিরতিতে লেবানন অন্তর্ভুক্ত থাকলেও বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু আবারোও যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে ও লেবাননে ব্যাপকভাবে হামলা চালিয়েছে।
দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের নৃশংস হামলার পর এই অবস্থান নেওয়া হয়, যে হামলায় ২৫৪ শহীদ এবং ১,১৬৫ জন আহত লেবাননি আহত হয়েছে।
এই প্রসঙ্গে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বুধবার পিবিএস-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দাবি করে: যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে লেবানন অন্তর্ভুক্ত নয়।
এদিকে, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ গত রাতে ঘোষণা করেছেন:যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে ইরানের পক্ষ থেকে ঘোষনা হওয়া দশটি শর্তের মধ্যে লেবানন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে এবং স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে, ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাইয়েদ আব্বাস আরাকচি, পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর কমান্ডার জেনারেল আসিম মুনিরের সাথে এক ফোনকলে ইসরায়েলের দ্বারা ইরান ও লেবাননে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের বিষয়ে আলোচনা করেছেন।
এ প্রসঙ্গে, আইআরজিসি অ্যারোস্পেস ফোর্সের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুসাভি, ইসরায়েলের যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের বিষয়ে লিখেছেন: হিজবুল্লাহর উপর হামলা মানে ইরানের উপর হামলা। ইসরায়েলের নৃশংস অপরাধের কঠোর জবাব দেওয়ার জন্য রণাঙ্গন প্রস্তুত হচ্ছে।
লেবাননে নতুন করে ইসরায়েলি আগ্রাসনের পরিপ্রেক্ষিতে, আইআরজিসি এক বিবৃতিতে জোর দিয়ে বলেছে: যদি প্রিয় লেবাননের বিরুদ্ধে আগ্রাসন অবিলম্বে বন্ধ না করা হয়, তবে আমরা এই অঞ্চলের আগ্রাসনকারীদেরকে অনুশোচনামূলক জবাব দেব।
এদিকে, এ প্রসঙ্গে, মার্কিন সংবাদপত্র 'ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল' বুধবার, নির্ভরযোগ্য সূত্রের বরাত দিয়ে দাবি করেছে যে, ইরান আঞ্চলিক মধ্যস্থতাকারীদের জানিয়েছে যে (ওয়াশিংটনের সাথে) পাকিস্তানের আলোচনায় তাদের অংশগ্রহণের শর্ত হলো লেবাননে যুদ্ধবিরতি।
Your Comment