আহলে বাইত (আ.) বার্তা সংস্থা (আবনা): আইআরজিসির জনসংযোগ বিভাগ এক বিবৃতিতে জানায়, “এই জবাব শত্রুর জন্য একটি গুরুতর সতর্কবার্তা। তারা যেন বুঝতে পারে, কোনো আগ্রাসনই জবাবহীন থাকবে না।” বাহিনীটি আরও হুঁশিয়ারি দেয়, একই ধরনের হামলা পুনরাবৃত্তি হলে ইরানের প্রতিক্রিয়া আরও “দৃঢ় ও সিদ্ধান্তমূলক” হবে।
বিবৃতিতে বলা হয়, যেকোনো সামরিক উত্তেজনার পরিণতির দায় আগ্রাসনকারীর ওপরই বর্তাবে।
এদিকে উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনার আরেকটি ঘটনায় বৃহস্পতিবার আইআরজিসি নৌবাহিনী একটি মার্কিন তেলবাহী জাহাজকে হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করা থেকে বাধা দেয় বলে দাবি করা হয়েছে। ইরানি সংবাদমাধ্যম তাসনিম জানায়, জাহাজটি ট্র্যাকিং ব্যবস্থা বন্ধ করে ইরানের আরোপিত বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে প্রণালি অতিক্রমের চেষ্টা করছিল। পরে আইআরজিসি নৌবাহিনীর সতর্কতামূলক গুলিবর্ষণের পর জাহাজটি পিছু হটতে বাধ্য হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সাম্প্রতিক সামরিক পদক্ষেপের পর ইরান হরমুজ প্রণালিতে নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণ আরও জোরদার করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষিত অবরোধমূলক নীতির পর তেহরান এ অঞ্চলে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা কার্যকর করে।
আইআরজিসি নৌবাহিনী জানিয়েছে, পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালি সংক্রান্ত ইসলামী বিপ্লবের নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ মুজতবা খামেনেয়ীর নির্দেশনা বাস্তবায়নে তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
অন্যদিকে কুয়েতের সশস্ত্র বাহিনী জানিয়েছে, “শত্রুতামূলক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হুমকি মোকাবিলায় দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করা হয়েছে। কুয়েতি বাহিনীর দাবি, আকাশে বিস্ফোরণের যেসব শব্দ শোনা গেছে, সেগুলো প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে শত্রু লক্ষ্যবস্তু প্রতিহত করার ফল।
Your Comment