আহলে বাইত (আ.) বার্তা সংস্থা (আবনা): ইরানের ইসলামী প্রজাতন্ত্রের সাংস্কৃতিক পরামর্শক দপ্তর, ইমাম খোমেনী-এর ওফাতবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকার মোহাম্মদপুর মসজিদে ”ইমাম খোমেইনী (রহ.); প্রকৃত মুহাম্মদী ইসলামের পতাকাবাহী” শীর্ষক এক সেমিনারের আয়োজন করে।
সৈয়দ রেযা মির মোহাম্মদী, বাংলাদেশে ইরানের সাংস্কৃতিক কাউন্সেলর উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিমেবে বক্তব্য প্রদান করেন। অনুষ্ঠানে ইমাম খোমেইনী (রহ.) ও ইরানের প্রতি অনুরাগী জনগন অংশগ্রহণ করেন।
মির মোহাম্মদী তার বক্তব্যে, ইমাম খোমেইনী (রহ.) কে প্রকৃত ইসলামের উধাহরন বলে অভিহিত করতেন। অর্থাৎ ইসলাম হচ্ছে সেই সত্য, যা মহানবী মুহাম্মদ (সা.) হিজরতের পর মদিনায় প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
ইসলামের প্রথম ভিত্তি হলো বাস্তব জীবনে তাওহিদের বাস্তবায়ন। অর্থাৎ, সমগ্র সৃষ্টিজগতে প্রকৃত ক্ষমতা একমাত্র আল্লাহর, এবং আল্লাহ ছাড়া আর কোনো কার্যকর ক্ষমতা নেই। তাই মুসলমানদের কেবল আল্লাহরই আনুগত্য করা উচিত।
তিনি বলেন, ইসলামের এই ব্যাখ্যা অনুযায়ী কোনো মুসলমানেরই আধিপত্যবাদী ও ঔপনিবেশিক শক্তির অনুসারী হওয়া বা তাদের ভয় করা উচিত নয়।
মির মোহাম্মদী আরও উল্লেখ করেন যে, ইসলামী ঐক্য ও সংহতি, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা, জুলুমের বিরুদ্ধে অবস্থান, মজলুমদের সমর্থন, ঔদ্ধত্যবাদ ও সাম্রাজ্যবাদের বিরোধিতা এবং বিদেশি আধিপত্য প্রত্যাখ্যান-এসবই ইমাম খোমেনীর দৃষ্টিতে বিশুদ্ধ মুহাম্মদী ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য।
তিনি বলেন, মুসলমানরা যদি এই মৌলিক নীতিগুলো অনুসরণ করে, তবে তারা বিদেশি শক্তির আধিপত্যের শিকার হবে না এবং মুসলিম সমাজ মর্যাদাপূর্ণ জীবন লাভ করবে।
বক্তব্যের আরেক অংশে তিনি বলেন, আজ ইরান বিশুদ্ধ মুহাম্মদী ইসলামের পথে এগিয়ে চলছে। এ কারণেই পশ্চিমা আধিপত্যবাদী শক্তিগুলো, বিশেষত যুক্তরাষ্ট্র-এর নেতৃত্বে এবং ইসরায়েলি শাসনব্যবস্থা-এর সহযোগিতায়, এর বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। তাদের মতে, বিশুদ্ধ মুহাম্মদী ইসলাম তাদের বস্তুগত স্বার্থ অর্জনের পথে বাধা সৃষ্টি করছে।
Your Comment