আহলে বাইত (আ.) বার্তা সংস্থা (আবনা): এক বিবৃতিতে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর বলেছে, ‘প্রস্তাবিত এই বিক্রি উপসাগরীয় অঞ্চলে ন্যাটো জোটের সদস্য নয় এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ মিত্রের (সৌদি আরব) নিরাপত্তা জোরদার করবে, যা যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতি ও জাতীয় নিরাপত্তা লক্ষ্যমাত্রার সঙ্গে সম্পৃক্ত।’
বিবৃতিতে সৌদি আরবকে ওই অঞ্চলে স্থিতিশীলতা রক্ষা ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হিসেবে আখ্যা দেয় মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর।
ওয়ারহেডসহ ২০ হাজারটি এপিকেডব্লিউএস (অ্যাডভান্সড প্রিসিশন কিল ওয়েপন সিস্টেম) কিনতে আগ্রহী রিয়াদ। এই লেজার-নির্দেশিত ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা প্রতিরক্ষার পাশাপাশি প্রতিপক্ষের ওপর হামলা চালাতেও ব্যবহার করা যায়। বেশ কয়েক ধরনের মার্কিন যুদ্ধবিমান এই ক্ষেপণাস্ত্র বহন করতে সক্ষম।
মার্কিন নৌবাহিনীর ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, এটি তুলনামূলকভাবে সাশ্রয়ী একটি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। এটি কম খরচে আকাশপথে আসা হামলা প্রতিহত করতে পারে এবং একইসঙ্গে, যুদ্ধক্ষেত্রে নিজ পক্ষের অনাকাঙ্ক্ষিত ক্ষয়ক্ষতি সীমিত রাখতে পারে।
পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়, এই চুক্তির প্রধান ঠিকাদার হবে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সির নাশুয়াভিত্তিক বিএই সিস্টেমস।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘এসব অস্ত্র কেনার পর সৌদি আরবের নিজস্ব ভূখণ্ড রক্ষা, বর্তমান ও ভবিষ্যতের হুমকি মোকাবিলা এবং মার্কিন বাহিনী, ন্যাটো বাহিনী ও অন্যান্য আঞ্চলিক বাহিনীর সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করার সক্ষমতা সার্বিকভাবে বৃদ্ধি পাবে।’
এমন সময়ে এই অনুমোদন দেওয়া হলো, যখন ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের সঙ্গে সৌদি আরবের নতুন করে যুদ্ধ শুরুর আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
Your Comment