আহলে বাইত (আ.) বার্তা সংস্থা (আবনা): সিডনির শহরতলীর ল্যাকেম্বা মসজিদে লেবানিজ মুসলিম অ্যাসোসিয়েশনের মাধ্যমে পরিচালিত এ মসজিদটি অস্ট্রেলিয়ার বৃহত্তম মসজিদ হিসেবে পরিচিত।
ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়, গাজা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর আলবানিজের মধ্য বামপন্থি সরকার অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে ভারসাম্য বজায় রাখার পথ ধরে ফিলিস্তিনিদের জন্য উদ্বেগ প্রকাশ করে, বারবার যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানায় ও ইসরায়েলের আত্মরক্ষার অধিকারের প্রতি সমর্থন দেয়।
কিন্তু অস্ট্রেলিয়ার মুসলিম ও ইহুদি সম্প্রদায়ের অনেকে সরকারের এ অবস্থান নিয়ে ক্ষুব্ধ ছিল।
রমজান মাস শেষ হওয়ার পর ঈদের দিন সিডনির শহরতলী ল্যাকেম্বায় ইমাম আলী বিন আবি তালেব মসজিদে মুসুল্লিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যায় আলবানিজ ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্ক।
ভিডিওতে দেখা গেছে, তার সেখানে যাওয়ার প্রায় ১৫ মিনিট পর প্রতিবাদকারীরা কার্যক্রমে বাধা দিতে শুরু করে। তারা আলবানিজ ও বার্ককে উদ্দেশ্য করে দুয়োধ্বনি দেয় ও ‘চলে যাও!’ বলে চিৎকার করে। তাদের ‘গণহত্যার সমর্থনকারী’ বলে উল্লেখ করে।
এ সময় এক সংগঠক জনতার উদ্দেশে বলেন, “প্রিয় ভাই ও বোনেরা, একটু শান্ত হোন। আজ ঈদ। আজ খুশির দিন।” সে সবাইকে বসার ও বিতর্কের ভিডিও করা বন্ধের আহ্বান জানায়।
আলবানিজ ও বার্ক চলে যাওয়ার সময় প্রতিবাদকারীরা চিৎকার করে বলেন, “তোমাদের লজ্জা হওয়া উচিত!”
তবে এ ঘটনা সত্ত্বেও পরে আলবানিজ মসজিদের সফরটিকে ‘অবিশ্বাস্য রকমের ইতিবাচক’ বলে বর্ণনা করেছে। সাংবাদিকদের সে বলে, ৩০ হাজার মানুষের ভিড়ে কয়েকজন যদি উত্ত্যক্ত করে তবে বিষয়টিকে সেই দৃষ্টিকোণ থেকেই দেখা উচিত।
Your Comment