আহলে বাইত (আ.) বার্তা সংস্থা (আবনা): গতকাল বুধবার সামাজিক মাধ্যমে দেয়া এক বার্তায় ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাইয়্যেদ মাজিদ মুসাভি বলেন, “এমন কি শত্রুরা আজও দেখেছে এবং অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে যে আমাদের আঙুল ট্রিগারেই রয়েছে। শত্রু সামান্যতম ভুল করলে, তাদেরকে পূর্ণ শক্তিতে জবাব দেয়া হবে।
তিনি আরো বলেন, যুদ্ধবিরতির দুই সপ্তাহ-মাঠে,কূটনীতিতে এবং রাস্তায় আমরা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় থাকব। রাস্তায় ঐক্যবদ্ধ থেকে যুদ্ধের মাঠে সতর্ক অবস্থায় থাকলে আমরা আমাদের কাঙ্খিত বিজয় ছিনিয়ে আনতে সক্ষম হব।
২৮ ফেব্রুয়ারি ইসলামি বিপ্লবের নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনেয়ীসহ বেশ কয়েকজন উচ্চপদস্থ সামরিক কমান্ডার ও বেসামরিক নাগরিককে হত্যা করার পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি শাসক গোষ্ঠী ইরানের বিরুদ্ধে একটি বড় আকারের বিনা উস্কানির সামরিক আগ্রাসন শুরু করে।
এই হামলায় ইরানজুড়ে সামরিক ও বেসামরিক উভয় স্থানেই ব্যাপক বিমান হামলা চালানো হয়, যার ফলে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক হতাহতের ঘটনা ঘটেছে এবং অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
এর জবাবে, ইরানের সশস্ত্র বাহিনী অধিকৃত অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন ও ইসরায়েলি অবস্থান এবং আঞ্চলিক ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্য করে একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে প্রতিশোধমূলক অভিযান চালিয়েছে।
যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে আল্টিমেটাম জারি করেছিলেন তখন পাকিস্তানের মধ্যস্ততায় দুই পক্ষই দুই সপ্তাহের একটি যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়। এ সময় তারা ইসলামাবাদে আলোচনয় মিলিত হবেন।
আলোচনার ভিত্তি তৈরি করার জন্য ইরান ১০টি শর্ত দিয়েছে যার মধ্যে রয়েছে এই অঞ্চল থেকে মার্কিন বাহিনী প্রত্যাহার করা, তেহরানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়া এবং হরমুজ প্রণালীতে ইরানের পুর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি না করা।
Your Comment