আহলে বাইত (আ.) বার্তা সংস্থা (আবনা): মার্কিন গোয়েন্দা মূল্যায়নের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে জানানো হয়, কয়েক সপ্তাহের টানা বিমান হামলা সত্ত্বেও ইরানের হাতে এখনো কয়েক হাজার স্বল্প ও মাঝারি পাল্লার ব্যালিস্টিক মিসাইল রয়েছে।
এগুলোর বড় একটি অংশ মাটির নিচের সুড়ঙ্গ বা ‘আন্ডারগ্রাউন্ড সাইলোতে’ সংরক্ষিত আছে, যা হামলা থেকে রক্ষা পেয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, যুদ্ধের শুরু থেকে চালানো হামলায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডার প্রায় অর্ধেক কমে গেলেও এখনো কয়েক হাজার মিসাইল সক্রিয় রয়েছে। এছাড়া তাদের ড্রোন বহরও আগের তুলনায় অর্ধেকে নেমে এসেছে।
মার্কিন ও ইসরায়েলি বিমান হামলায় অনেক সুড়ঙ্গের মুখ বন্ধ হয়ে গেলেও ভেতরের অবকাঠামো এখনো অটুট। ইরান খুব দ্রুত এই ব্যবস্থাগুলো মেরামত করে পুনরায় সচল করতে সক্ষম। উৎপাদন কেন্দ্রে হামলার কারণে ড্রোন সংখ্যা কমলেও ইরান রাশিয়ার কাছ থেকে একই ধরনের ড্রোন সংগ্রহের চেষ্টা করতে পারে বলে ধারণা করছে ওয়াশিংটন।
চলতি সপ্তাহের শুরুতে মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ দাবি করেছিলেন, ইরানের মিসাইল প্রোগ্রাম ‘সম্পূর্ণ অকার্যকর এবং ধ্বংস’ হয়ে গেছে। কিন্তু গোয়েন্দা কর্মকর্তারা বলছেন ভিন্ন কথা। তাদের মতে, ইরানের অর্ধেকের বেশি লাঞ্চার ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হলেও তারা এখনো দিনে ১০ থেকে ১৫টি মিসাইল ছোড়ার সক্ষমতা রাখে। যুদ্ধের আগে এই সংখ্যাটি ছিল কয়েক ডজন।
ইসলামাবাদে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ও ইরানি প্রতিনিধিদের মধ্যে যখন বৈঠক হতে যাচ্ছে, তখন এই তথ্য যুক্তরাষ্ট্রের জন্য নতুন দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র আনা কেলি জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক সামরিক সাফল্য ওয়াশিংটনকে আলোচনার টেবিলে সুবিধাজনক অবস্থানে রেখেছে।
Your Comment