আহলে বাইত (আ.) বার্তা সংস্থা (আবনা): যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে যৌথ আগ্রাসনের পরপরই ইউএই প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বিন জায়েদ সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানসহ উপসাগরীয় নেতাদের সঙ্গে একাধিকবার ফোনে যোগাযোগ করেন। তবে ইরানের বিরুদ্ধে সমন্বিত সামরিক পদক্ষেপের অনুরোধ তারা প্রত্যাখ্যান করেন।
২০২১ সালের আব্রাহাম অ্যাকর্ডস চুক্তির পর ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার পর ইউএই ইরানের প্রতিশোধমূলক হামলার বড় ধরনের ধাক্কা সামলাতে বাধ্য হয়। এ সময় উপসাগরীয় অঞ্চলে হাজার হাজার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটে বলে উল্লেখ করা হয়।
বিশ্লেষকদের মতে, সৌদি আরব ও ইউএই ইরানের বিরুদ্ধে পৃথকভাবে প্রতিক্রিয়া দেখালেও কোনো যৌথ সামরিক কাঠামো গড়ে ওঠেনি। সৌদি আরব তুলনামূলকভাবে নিয়ন্ত্রিত প্রতিক্রিয়া দেখায় এবং কূটনৈতিক সমাধানের দিকে ঝোঁকে।
অন্যদিকে ইউএই ইরানের জ্বালানি স্থাপনাকে লক্ষ্য করে হামলা চালায় বলেও প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা ইস্যুতে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সামরিক সমর্থন আদায়ের চেষ্টাও করে আবুধাবি।
বিশ্লেষকদের মতে, এই পরিস্থিতি উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে কৌশলগত বিভাজন আরও স্পষ্ট করেছে। একই সঙ্গে ইরান ইস্যুতে আঞ্চলিক শক্তিগুলোর মধ্যে সমন্বিত অবস্থান গড়ে তোলা কঠিন হয়ে পড়েছে।
Your Comment