আহলে বাইত (আ.) বার্তা সংস্থা (আবনা): আন্তর্জাতিক সংবাদপত্র ও গণমাধ্যমগুলো যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার বর্তমান বোঝাপড়ার পরিণতি, এশিয়ায় ওয়াশিংটনের প্রতিরোধ ক্ষমতার ওপর ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রভাব, গাজার পরিস্থিতি, ব্রিটেনের রাজনৈতিক সংকট এবং ইসরায়েলি অভিজাতদের দেশত্যাগ নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
আল জাজিরার মতে, ব্রিটিশ সংবাদপত্র ‘দ্য টাইমস’ লিখেছে যে, ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে যেকোনো চুক্তি দ্রুত সুফল বয়ে আনতে পারে, যার মধ্যে রয়েছে হরমুজ প্রণালীর পর্যায়ক্রমিক উন্মোচন এবং অর্থনৈতিক চাপ হ্রাস, কিন্তু মূল চ্যালেঞ্জ হবে বিতর্কিত বিষয়গুলো নিয়ে ৩০ দিনের আলোচনা পর্ব।
পত্রিকাটি আরও যোগ করেছে: বিশেষজ্ঞরা মনে করেন যে, সম্ভাব্য চুক্তিটিতে মূলত সামরিক সংঘাতের অবসান ঘটানোর জন্য সাধারণ বোঝাপড়া অন্তর্ভুক্ত থাকবে, কিন্তু দুই পক্ষের মধ্যকার মতবিরোধের মূল ও প্রধান কারণগুলোর সমাধান করা হবে না; আর এই বিষয়টিই বর্তমান চুক্তিটিকে অস্থায়ী ও ভঙ্গুর করে রেখেছে।
অন্যদিকে, নিউইয়র্ক টাইমস পত্রিকা চীনা বিশ্লেষকদের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেছে যে, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ যুক্তরাষ্ট্রকে একটি ক্লান্ত সামরিক শক্তি হিসেবে উন্মোচিত করেছে।
এই বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন অস্ত্রের মজুদ হ্রাস চীনের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনের প্রতিরোধ ক্ষমতাকে দুর্বল করে দিতে পারে, বিশেষ করে তাইওয়ানকে নিয়ে উত্তেজনার ক্ষেত্রে।
পত্রিকাটি আরও লিখেছে যে, বেইজিং এই পরিস্থিতিকে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সম্ভাব্য আসন্ন বৈঠকে নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করার একটি সুযোগ হিসেবে দেখছে।
চীনা বিশেষজ্ঞরা মনে করেন যে, সাম্প্রতিক যুদ্ধটি দীর্ঘ যুদ্ধের সময় সামরিক অস্ত্রাগার পুনর্গঠন ও আধুনিকীকরণের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের দুর্বলতাকে উন্মোচিত করেছে।
Your Comment