আহলে বাইত (আ.) বার্তা সংস্থা (আবনা): হামাসের মুখপাত্র এই বিবৃতিতে চলমান ইসরায়েলি সামরিক হামলা ও অবরোধের কথা উল্লেখ করে জোর দিয়ে বলেছেন, এত চাপ সত্ত্বেও গাজার বাসিন্দাদের ভবিষ্যতের জন্য এখনও আশা রয়েছে।
তিনি বলেন, ‘মানুষ যখন তাদের তাঁবু ছেড়ে যায়, তখন তারা জানে না যে তারা ফিরবে কি না বা তারা বোমা হামলার শিকার হবে কি না, অথবা ফিরে এসে তাদের তাঁবু আগুনে পুড়তে দেখবে কি না।’
হামাসের মুখপাত্র আরও বলেন, ‘গাজার মানুষ ভোর থেকেই জীবন যাপনের সবচেয়ে জরুরি পণ্য খুঁজে বেড়ায় যার মধ্যে রয়েছে খাওয়ার পানির জোগান থেকে শুরু করে কার্যত উধাও হয়ে যাওয়া যানবাহন ব্যবহার পর্যন্ত। অন্যদিকে হাসপাতালগুলো ভেঙে পড়েছে, ওষুধের তীব্র অভাব এবং শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে গেছে।’
কাসেম বলেন, মানুষ এমন জরাজীর্ণ রাস্তায় চলাচল করছে যেখানে পয়ঃবর্জ্য বয়ে চলেছে এবং বাস্তুচ্যুতরা এই পয়ঃবর্জ্যের পাশেই তাদের তাঁবু খাটাতে বাধ্য হচ্ছে। গ্রীষ্মের তীব্র গরমে এই তাঁবুগুলো বাসিন্দাদের জন্য গরম চুলায় পরিণত হয়েছে।
ফিলিস্তিনি ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন (হামাস)-এর মুখপাত্র এর আগে এক বিবৃতিতে গাজা উপত্যকার বর্তমান নির্মম পরিস্থিতিতে বিশ্বের নীরবতা ও নিষ্ক্রিয়তার সমালোচনা করে বলেছিলেন, ‘গাজায় এখনও রক্তপাত হচ্ছে এবং সেখানে ত্রাস ও ভয়ের রাজত্ব বিরাজ করছে’।
Your Comment