আহলে বাইত (আ.) বার্তা সংস্থা (আবনা): আইআরজিসির এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, “ইয়া হায়দার (আ.)” কোডনামে এই অভিযান চালানো হয়। এতে ইসরায়েলে উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের মাধ্যমে ব্যাপক হামলা করা হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, দক্ষিণাঞ্চলের আরাদ, দিমোনা, ইলাত, বীরশেবা এবং কিরিয়াত গাত—এসব এলাকায় সামরিক ও নিরাপত্তা স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়ায় এসব হামলা আরও নির্ভুলভাবে আঘাত হানে।
একই সঙ্গে পশ্চিম এশিয়া অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি—আলি আল-সালেম, আল মিনহাদ ও আল দাফরা—এসব স্থানেও ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
প্রাথমিক মাঠ-তথ্য অনুযায়ী, হামলার প্রথম দিকেই ২০০-এর বেশি নিহত ও আহতের খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া অভিযোগ উঠেছে, ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ সাংবাদিক ও প্রত্যক্ষদর্শীদের ওপর চাপ দিচ্ছে, যাতে ক্ষয়ক্ষতি ও হতাহতের তথ্য প্রকাশ না পায়।
পর্যবেক্ষকদের মতে, পরিস্থিতি দ্রুত বদলাচ্ছে এবং যুদ্ধের সমীকরণ নতুন দিকে যাচ্ছে। কেউ কেউ মনে করছেন, ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা নিয়ন্ত্রণে দুর্বলতার ইঙ্গিত দেখা যাচ্ছে।
ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের কালিবফ বলেছেন, যদি ইসরায়েলি শাসকগোষ্ঠী দিমোনার মতো অত্যন্ত সুরক্ষিত এলাকাকে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা থেকে রক্ষা করতে না পারে, তবে তা হবে অভিযানগত দিক থেকে যুদ্ধের এক নতুন পর্যায়ে প্রবেশের ইঙ্গিত অর্থাৎ ইসরায়েলের আকাশ অরক্ষিত। ফলস্বরূপ, মনে হচ্ছে ইরানের পক্ষ থেকে পরবর্তী পূর্ব-পরিকল্পিত পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়নের সময় এসে গেছে।
Your Comment