আহলে বাইত (আ.) বার্তা সংস্থা (আবনা): ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমায়েল বোকায়ী এ তথ্য জানিয়েছেন।
এসএনএন টিভিকে মুখপাত্র বোকায়ী বলেন, ‘এনপিটি থেকে বেরিয়ে আসার বিষয়টি নিয়ে পার্লামেন্টে আলোচনা হচ্ছে। যদি আন্তর্জাতিক পক্ষগুলো আমাদের এই চুক্তিতে থাকা অধিকার ও সুবিধা ভোগ করতে না দেয়, তাহলে এতে অংশ নেওয়ার অর্থ কী? ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরান কখনও নিউক্লিয়ার অস্ত্র তৈরি করার চেষ্টা করেনি এবং এখনো করে না।’
‘এনপিটি’ চুক্তি কী?
এনপিটি চুক্তি হলো পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার প্রতিরোধ চুক্তি। চুক্তিটি ১৯৬৮ সালের ১ জুলাই স্বাক্ষরিত হয় এবং ১৯৭০ সালের ৫ মার্চ কার্যকর হয়। এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৮৯।
এর প্রধান লক্ষ্য হলো পারমাণবিক অস্ত্রের বিস্তার রোধ করা এবং চুক্তিতে অংশ নেওয়া দেশগুলোকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি, অর্জন বা বিতরণ থেকে বিরত থাকতে হয়।
‘এনপিটি ’চুক্তির উদ্দেশ্য
১. শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক প্রযুক্তি ব্যবহার নিশ্চিত করা– চুক্তি অনুযায়ী দেশগুলো পারমাণবিক শক্তি মূলত বিদ্যুৎ উৎপাদন, চিকিৎসা ও গবেষণার জন্য ব্যবহার করবে।
২. পারমাণবিক অস্ত্রমুক্ত বিশ্বের দিকে অগ্রসর হওয়া– ধাপে ধাপে বিদ্যমান পারমাণবিক শক্তিধর দেশগুলোর পারমাণবিক অস্ত্র কমানোর জন্য পদক্ষেপ নেওয়া।
কাদের জন্য এই চুক্তি?
এটি মূলত তিন ধরনের দেশের জন্য করা হয়েছে।
১. পারমাণবিক শক্তিধর দেশ (যেমন যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য) যারা চুক্তি স্বাক্ষরের আগে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করেছিল।
২. পারমাণবিক অস্ত্রহীন দেশ– যারা চুক্তি স্বাক্ষরের পর পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করে না।
৩. সদস্য দেশ– শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক শক্তি ব্যবহার করতে পারে এবং নিয়মিত আইএইএ-এর তত্ত্বাবধানে থাকে।
Your Comment