আহলে বাইত (আ.) বার্তা সংস্থা (আবনা): ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের “অবৈধ ও অপরাধমূলক হামলা” আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘ সনদের স্পষ্ট লঙ্ঘন। এতে রাষ্ট্রগুলোর সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার মৌলিক নীতিও ভঙ্গ হয়েছে। পাশাপাশি ১৯ ফারওয়ার্দিন ১৪০৫ তারিখের যুদ্ধবিরতিকে কার্যত অকার্যকর করে দিয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী কিছু আঞ্চলিক দেশের ভূখণ্ড ও সম্পদ ব্যবহার করে ইরানের বিরুদ্ধে আক্রমণ চালাচ্ছে। এর ফলে সেই দেশগুলোও পরোক্ষভাবে এই আগ্রাসনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে যাচ্ছে।
ইরান সতর্ক করে বলেছে, সব আঞ্চলিক দেশের আইনি ও নৈতিক দায়িত্ব রয়েছে যেন তারা তাদের ভূখণ্ড, সম্পদ বা সুবিধা যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের বিরুদ্ধে ব্যবহার করতে না দেয়। ইরান আরও ঘোষণা করেছে, তারা আত্মরক্ষার স্বাভাবিক অধিকার অনুযায়ী এই ধরনের আগ্রাসনের উৎস ও কেন্দ্রগুলোকে নিষ্ক্রিয় করার জন্য দৃঢ়ভাবে কাজ করবে।
বিবৃতিতে বলা হয়, জাতিসংঘের সব সদস্য রাষ্ট্রের দায়িত্ব হলো যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের দ্বারা আন্তর্জাতিক আইনের গুরুতর লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে স্পষ্ট অবস্থান নেওয়া। নীরবতা বা নিষ্ক্রিয়তা বিশ্বকে আরও বিশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তাহীনতার দিকে ঠেলে দেবে। শেষে ইরান জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ ও এর সদস্যদের দায়িত্ব স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেছে, এই সংস্থার মূল কাজ হলো আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষা করা।
একই সঙ্গে জাতিসংঘ মহাসচিবের দায়িত্ব হলো বাস্তব পরিস্থিতি স্পষ্টভাবে তুলে ধরা। অস্পষ্ট বা সাধারণ বিবৃতি দেওয়া এই পরিস্থিতিতে দায়িত্বশীল আচরণ নয় এবং এটি আগ্রাসনকারীদের আরও উৎসাহিত করতে পারে।
Your Comment