আহলে বাইত (আ.) বার্তা সংস্থা (আবনা): ইরানের জাতীয় সম্প্রচার সংস্থা আইআরআইবিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে শাহভের্দি আরও জানান, ইরানের বৈজ্ঞানিক সমাজের প্রতি শহীদ নেতার অনন্য দৃষ্টিভঙ্গি ছিল।
তিনি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ‘সফটওয়্যার আন্দোলন’ চালু করেন, নিজ দপ্তরে বৈজ্ঞানিক দল গঠন করেন এবং নিয়মিত শীর্ষ গবেষক ও অধ্যাপকদের সঙ্গে বৈঠকের মাধ্যমে দেশের বিজ্ঞানচর্চাকে সরাসরি পর্যবেক্ষণ করতেন।
শাহভের্দি জোরালো কণ্ঠে বলেন, শহীদ নেতা জাতীয় শক্তির ভিত্তি হিসেবে বিজ্ঞানকে অগ্রাধিকার দিতেন। তাঁর মতে, শুধুমাত্র বিজ্ঞানই ইরানকে বিশ্বমঞ্চে মর্যাদার সাথে কথা বলার সক্ষমতা দিতে পারে।
স্টেম সেল গবেষণা প্রসঙ্গে রয়ান প্রধান জানান, প্রাথমিকভাবে অনেক সংশয় থাকলেও শহীদ নেতা গবেষকদের প্রতি আস্থা রেখে এই ক্ষেত্রে গবেষণার পথ সুগম করেন। ফলশ্রুতিতে, আজ ইরান স্টেম সেল প্রযুক্তিতে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় দেশগুলোর অন্যতম।
শাহভের্দি তাঁর নেতৃত্বের সময়কালে বায়োটেকনোলজি, ন্যানো প্রযুক্তি, লেজার ও প্রজনন ওষুধে ইরানের অর্জনকে মানবসম্পদ উন্নয়ন ও আত্মবিশ্বাসী প্রজন্ম গড়ে তোলার ফসল হিসেবে চিহ্নিত করেন। তিনি বলেন, আজ ইরানি গবেষকরা আন্তর্জাতিক মঞ্চে আমন্ত্রিত বক্তা হিসেবে অংশ নিচ্ছেন এবং ‘অ্যান্ড্রোলজি’-র মতো স্বীকৃত জার্নাল রয়ানকে প্রজনন ওষুধে বিশ্বের শীর্ষ ১০ প্রতিষ্ঠানের তালিকায় স্থান দিয়েছে—যা শহীদ নেতার সেই আস্থারই বাস্তব প্রতিফলন।
তিনি আরও স্মরণ করেন, সাইয়্যেদ আলী খামেনেয়ী ‘জিহাদ-ই-দা'নেশগাহি’ (বিশ্ববিদ্যালয় জিহাদ)-কে একটি গ্রিনহাউসের সঙ্গে তুলনা করতেন, যেখানে প্রতিভা ও মূল্যবান উদ্ভাবন লালিত হয়।
শেষে শাহভের্দি বলেন, শহীদ নেতার নাম, আদর্শ ও বিজ্ঞান-দর্শন ইরানের গবেষণাঙ্গন ও জনমানসে চিরভাস্বর থাকবে। তাঁর জীবনপদ্ধতি ও দৃষ্টিভঙ্গি আগামী দিনেও প্রজন্মের জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।
Your Comment