আহলে বাইত (আ.) বার্তা সংস্থা (আবনা): ট্রাম্প বলে, ইরানের সাথে আলোচনা ‘খুবই কার্যকর’ হয়েছে এবং এ প্রক্রিয়ায় তার উপদেষ্টা স্টিভ উইটকফ ও জামাতা জ্যারেড কুশনার যুক্ত ছিল। ট্রাম্প দাবি করেছে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ‘একজন শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তির’ সাথে কথা বলছে, তবে তিনি নতুন সর্বোচ্চ নেতা নন।
যুক্তরাষ্ট্রের সাথে ইরানের কোনো আলোচনা হয়নি বলে দাবি করেছেন ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাগের কালিবাফ এবং তিনি স্পষ্টভাবে বলেছেন সমস্ত কথায় মিথ্যা।
এছাড়র, ইরানের সাথে ‘ফলপ্রসূ আলোচনা’র বরাত দিয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যে পাঁচ দিনের জন্য ইরানের বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও জ্বালানি স্থাপনাগুলোতে হামলা স্থগিত রাখার ঘোষণা দিয়েছে, তেহরান ওই আলোচনার কথাও অস্বীকার করেছে।
দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সাথে যে সমঝোতার আলোচনার কথা বলেছে, তা সঠিক নয়।’
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে কালিবাফ লিখেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের সাথে কোনো আলোচনা হয়নি। আর্থিক ও তেলের বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল যে চোরাবালিতে আটকে গেছে, তা থেকে বাঁচতে মিথ্যা খবর ব্যবহার করা হচ্ছে।’
দ্বিতীয় একটি পোস্টে কালিবাফ লিখেন, ইরান ‘আগ্রাসনকারীদের পূর্ণাঙ্গ ও অনুশোচনামূলক শাস্তি’ দাবি করে। এই লক্ষ্য অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত ইরানের কর্মকর্তারা ‘দৃঢ়ভাবে তাদের সর্বোচ্চ নেতা ও জনগণের পাশে রয়েছেন।’
কালিবাফের পোস্টের আগে এক বিবৃতিতে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বোকায়ী যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আলোচনার খবরটি অস্বীকার করেন। তিনি জানান, হরমুজ প্রণালী ও যুদ্ধ বন্ধের শর্ত নিয়ে তেহরানের অবস্থানে কোনো পরিবর্তন আসেনি।
বোকায়ীর বরাতে ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তা সংস্থা ইরনা জানায়, ‘যুদ্ধ বন্ধের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনার অনুরোধ নিয়ে কিছু বন্ধু দেশের কাছ থেকে বার্তা পাওয়া গেছে।’
তিনি আরো জানান, এর জবাবে ইরান ‘তাদের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে যেকোনো হামলার ভয়াবহ পরিণতি’ সম্পর্কে সতর্কবার্তা দিয়েছে।
Your Comment