১২ জুলাই ২০২৬ - ২০:৫১
মিশরে বিপ্লবের শহীদ নেতার স্মরণে শোক অনুষ্ঠান।

মিশরে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের ‘স্বার্থ সংরক্ষণ কার্যালয়’-এর প্রধান হযরত আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনেয়ীর শাহাদাতকে এক বিশাল ক্ষতি হিসেবে অভিহিত করেছেন; সাথে তিনি একে এই অঞ্চলের ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হিসেবেও বর্ণনা করেছেন—যে অধ্যায়ে শহীদদের রক্ত ​​প্রতিরোধ আন্দোলনে নতুন প্রাণ সঞ্চার করেছে।

আহলে বাইত (আ.) বার্তা সংস্থা (আবনা): ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের শহীদ নেতা হযরত আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনেয়ীর স্মরণে কায়রোতে একটি স্মরণসভা ও স্মৃতিচারণমূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়; এতে বিপুল সংখ্যক রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও শিক্ষাবিদ, ধর্মীয় পণ্ডিত এবং বন্ধুত্বপূর্ণ দেশগুলোর রাষ্ট্রদূত ও কূটনৈতিক মিশনের প্রধানরা অংশগ্রহণ করেন।



অনুষ্ঠানে বক্তৃতাকালে কায়রোতে অবস্থিত ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের ‘স্বার্থ সংরক্ষণ কার্যালয়’-এর প্রধান মোজতবা ফেরদৌসিপুর শহীদ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনেয়ীর ব্যক্তিত্ব ও আদর্শিক নীতিমালার ওপর আলোকপাত করেন।

তিনি তাঁকে ঈমান, প্রজ্ঞা, সাহস ও প্রতিশ্রুতি পালনে অবিচলতার ওপর প্রতিষ্ঠিত নেতৃত্বের এক অনন্য দৃষ্টান্ত হিসেবে অভিহিত করেন এবং জোর দিয়ে বলেন: "ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের এই শহীদ নেতা তাঁর সমগ্র কর্মকালে নিপীড়িত জাতিগোষ্ঠীকে সহায়তা করা, ফিলিস্তিনিদের ন্যায়সংগত দাবির পক্ষে অবস্থান নেওয়া, প্রতিরোধ আন্দোলনকে সমর্থন করা এবং আধিপত্য ও দখদারিত্বের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান গ্রহণকে কেবল রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত হিসেবে নয়, বরং ধর্মীয়, নৈতিক ও মানবিক দায়িত্ব হিসেবে বিবেচনা করতেন।"

অনুষ্ঠানটির একটি বিশেষ পর্বে বিশিষ্ট চিন্তাবিদ ও বিশেষজ্ঞদের অংশগ্রহণে একটি প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।  অনুষ্ঠানে আরোও উপস্থিত ছিলেন ড. আহমেদ মোস্তফা, ড. ইউসরি আবু-শাদি, ড. মোনা হামেদ, ড. শেখ আবদেল-হালিম আল-আজমি, ড. আমজাদ আহমেদ (সিয়েরা লিওন দূতাবাসের কাউন্সিলর), ড. হামদি বাল্লাত, ড. হাসান আল-মাগাজি, ড. আশরাফ আবু-আরিফ এবং ড. রায়েদ আব্দুল-জলিল (গাজা উপত্যকা থেকে)। আলোচনায় ‘প্রতিরোধের আদর্শ ও অঞ্চলের ভবিষ্যৎ’ এবং নারী ও শিক্ষার অবস্থার ওপর আলোকপাত করা হয়; বিশেষ করে শহীদ ইমামের দৃষ্টিভঙ্গির আলোকে ইসলামি সম্প্রীতি ও ঐক্যের বিষয়টি এতে গুরুত্ব পায়।

Tags

Your Comment

You are replying to: .
captcha