আহলে বাইত (আ.) বার্তা সংস্থা (আবনা): একটি ভিডিও বার্তায় ড. আলীজাদেহ মুসাভী বলেন, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে বাংলাদেশের মানুষ তাদের পুরো অস্তিত্ব দিয়ে ইরানের জনগণের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করেছেন।
যদিও ইরানে উপস্থিত থেকে তাঁদের নেতার জানাজা ও দাফনকার্যে অংশগ্রহণের সৌভাগ্য হয়নি, তবুও বাংলাদেশে যে ভালোবাসা, সহমর্মিতা ও সংহতির প্রকাশ ঘটেছে, তার মূল্য ইরানে উপস্থিত থাকার চেয়ে কোনো অংশে কম ছিল না।
হুজ্জাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলিমিন ড. সাইয়্যেদ মাহদী আলীজাদেহ মুসাভী আরও বলেন, বাংলাদেশের যে শহরেই যাওয়া হয়েছে এবং যে জনসমাবেশেই অংশ নেওয়া হয়েছে, সেখানকার মানুষ প্রয়াত নেতা শহীদ আয়াতুল্লাহ খামেনেয়ীর নাম গভীর শ্রদ্ধা ও বেদনার সঙ্গে স্মরণ করেছেন। তাঁদের এই আন্তরিকতা এমন অনুভূতি সৃষ্টি করেছে যে, যেন তাঁরা ইরানেই অবস্থান করছেন এবং নিজেদের দেশের মানুষের সঙ্গেই কথা বলছেন।
তিনি বলেন, নেতার পবিত্র মরদেহ যখন মাটির কোলে চিরনিদ্রায় শায়িত হয়েছে, তখন বাংলাদেশের জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা অত্যন্ত জরুরি। তিনি শুধু সাধারণ জনগণের প্রতিই নয়, বরং বাংলাদেশের সম্মানিত কর্তৃপক্ষের প্রতিও আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
বক্তব্যে তিনি বিশেষভাবে বাংলাদেশের সংসদের স্পিকার এবং 'জায়ামাতে ইসলামী'র যে প্রতিনিধিদল ইরান সফর করেছিলেন, তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে, যেসব সাধারণ মানুষ নিজ উদ্যোগে ইরানে গিয়ে এই শোকের সময়ে সংহতি প্রকাশ করেছেন, তাঁদের প্রতিও আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।
বক্তব্যের শেষাংশে তিনি শহীদ নেতার রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করেন। তিনি বলেন, আল্লাহ তাআলা যেন আমাদের প্রয়াত নেতার আত্মাকে জান্নাতে আমাদের প্রিয় মহানবী হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম এবং আহলে বাইতের পবিত্র ইমামগণের সঙ্গে মিলিত হওয়ার সৌভাগ্য দান করেন।
সূত্র: হাওজা নিউজ এজেন্সি
Your Comment