আহলে বাইত (আ.) বার্তা সংস্থা (আবনা): সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে-এ দেওয়া এক পোস্টে আরাকচি বলেন, তারা হরমুজ প্রণালির আইনি ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা করেছেন, যা আন্তর্জাতিক আইন এবং সার্বভৌম দায়িত্বের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়া উচিত।
তিনি বলেন, বিশ্বের জ্বালানি বাণিজ্যের একটি বড় অংশ এই জলপথ দিয়ে প্রবাহিত হয়, তাই এর নিরাপদ ব্যবস্থাপনা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের স্বার্থের সঙ্গে সম্পর্কিত।
ইরানি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, তেহরান ও মাস্কাট একসঙ্গে এমন দায়িত্বশীল কৌশল গ্রহণ করছে যা প্রণালীতে নিরাপদ নৌচলাচল নিশ্চিত করবে এবং তা আন্তর্জাতিক আইনের ভিত্তিতে পরিচালিত হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনা ও সমালোচনা
আলোচনায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনার সর্বশেষ অবস্থা নিয়েও কথা হয়, যা পাকিস্তান ও কাতারের মধ্যস্থতায় চলছে। ইরান বলছে, যুক্তরাষ্ট্র “অতিরিক্ত চাপ ও দ্বিমুখী অবস্থান” না বদলালে কোনো চূড়ান্ত চুক্তি সম্ভব নয়।
ইরানের সংসদের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেন, ইরান আলোচনার মাধ্যমে নয়, বরং শক্ত অবস্থান ও সামরিক প্রস্তুতির মাধ্যমে সুবিধা অর্জন করে।
তিনি আরও মন্তব্য করেন, “যে পক্ষ ভালোভাবে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত থাকে, সেই পক্ষই কোনো চুক্তির প্রকৃত সুবিধাভোগী হয়।”
ইরান দাবি করেছে, যুক্তরাষ্ট্রের হুমকিমূলক অবস্থান ও সাম্প্রতিক পদক্ষেপগুলো আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ক্ষতিগ্রস্ত করছে। এর প্রতিক্রিয়ায় ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই যুক্তরাষ্ট্রের বক্তব্যকে “একটি স্বাধীন রাষ্ট্রকে ব্ল্যাকমেইল করার চেষ্টা” বলে অভিহিত করেছেন।
Your Comment