আহলে বাইত (আ.) বার্তা সংস্থা (আবনা): সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জন্য শুক্রবার ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়সীমা, যার মধ্যে তাকে ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতের অবসান নিশ্চিত করতে অথবা কংগ্রেসের কাছে এর মেয়াদ বাড়ানোর ব্যাখ্যা দিতে হতো। তবে ধারণা করা হচ্ছে, নির্ধারিত সময়সীমা পেরিয়ে গেলেও পরিস্থিতির গতিপথে বড় কোনো পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা নেই।
প্রশাসনের ওই কর্মকর্তা জানায়, ‘যুদ্ধক্ষমতা প্রস্তাবের দৃষ্টিকোণ থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি শনিবার শুরু হওয়া শত্রুতা এখন সমাপ্ত হয়েছে।’ সে আরও বলে, তিন সপ্তাহেরও বেশি আগে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতির পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনী ও ইরানের মধ্যে আর কোনো সংঘর্ষ বা গুলি বিনিময় ঘটেনি।
এদিকে ইরান যুদ্ধে নিয়োজিত মার্কিন সেনাদের সরিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে ডেমোক্র্যাটদের আনা একটি প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে নাকচ হয়ে গেছে। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত ভোটাভুটিতে প্রস্তাবটি ৪৭-৫০ ভোটে পরাজিত হয়।
এমন এক সময়ে এ ভোটাভুটি হলো, যার পরদিনই (আজ শুক্রবার) প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরান যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার ক্ষমতার ওপর একটি আইনি বাধ্যবাধকতার সময়সীমা শেষ হতে যাচ্ছে।
সিনেটে ভোটাভুটিতে রিপাবলিকান পার্টির মাত্র দুই সদস্য—মেইন অঙ্গরাজ্যের সুসান কলিন্স ও কেনটাকির র্যান্ড পল দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেন। গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুদ্ধ শুরুর পর এই প্রথম কোনো রিপাবলিকান সদস্য হিসেবে কলিন্স এমন প্রস্তাবে সমর্থন দিল।
পেনসিলভানিয়ার জন ফেটারম্যান ছিল একমাত্র ডেমোক্র্যাট সদস্য, যে প্রস্তাবটির বিপক্ষে ভোট দিয়েছে। এ পদক্ষেপের ফলে আট সপ্তাহে গড়িয়ে যাওয়া ইরান যুদ্ধের ওপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার আরও একটি সুযোগ হারাল কংগ্রেস।
Your Comment