আহলে বাইত (আ.) বার্তা সংস্থা (আবনা): কলিবাফ বলেন, আমরা নিজেরাই পার্লামেন্টে একটি আইন পাশ করেছি; সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলেরও এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাবনা বা রেজল্যুশন রয়েছে। এই আইনের অধীনে, বোমা হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত কেন্দ্রগুলোতে কোনোভাবেই প্রবেশের সুযোগ দেওয়া হবে না-এটাই আমাদের আইন।
তিনি জানান, পরিদর্শনের মাত্রা বা পরিধি নির্ধারণ করে দেয় সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল। তারা যে রূপরেখা নির্ধারণ করে দিয়েছে, এর বাইরে ইরান কোনো ছাড় দেবে না। তিনি আরও বলেন, বর্তমানে তাদের কেবল দুটি স্থাপনায় প্রবেশের অধিকার রয়েছে: বুশেহর বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং তেহরান চুল্লি। প্রবেশাধিকার এর মধ্যেই সীমাবদ্ধ করা হয়েছে এবং আমরা এ সিদ্ধান্তে অটল।
ইরানের আলোচনা দলের প্রধান হিসেবে গালিবাফ তার কূটনৈতিক পদক্ষেপের পক্ষেও জোরালো অবস্থান নেন। সমালোচকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, তারা কূটনীতি বা যুদ্ধ—কোনোটিতেই দেশকে সাহায্য করে না, তবে আমি লড়াই ও কূটনীতি—উভয় ক্ষেত্রেই অবিচল রয়েছি।
তিনি আরও বলেন, আমাদের শহীদ ইমামের (ইসলামি বিপ্লবের প্রয়াত নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়েদ আলী খামেনি) রক্তের প্রতিশোধ হলো আল-কুদস (জেরুজালেম) মুক্ত করা, আর এ জন্য আমাদের লেবাননকে রক্ষা করতে হবে। শুধু স্লোগান দিয়ে রক্তের বদলা নেওয়া যায় না।
কলিবাফ আরও বলেন, আমাদের শত্রু ক্ষমতার ভাষা ছাড়া আর কিছুই বোঝে না। তাই আমাদের অবশ্যই শক্তির জায়গা থেকেই তাদের মোকাবিলা করতে হবে।
চলতি সপ্তাহে কাতারের রাজধানী দোহায় অনুষ্ঠিত আলোচনার পর তার এই মন্তব্য প্রকাশ্যে এল। ওই আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের অংশগ্রহণ ছাড়াই মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে বৈঠক করেছে ইরান। সেখানে তেহরান আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধবিরতির সমঝোতা স্মারক লঙ্ঘনের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অভিযোগ উত্থাপন করেছে।
Your Comment