আহলে বাইত (আ.) বার্তা সংস্থা (আবনা): সাম্প্রতিক এক বক্তব্যে ট্রাম্প এসব দেশকে মাদক পাচারের প্রধান উৎস হিসেবে আখ্যায়িত করে। তার দাবি, লাতিন আমেরিকার কয়েকটি দেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে মাদক প্রবাহ ও অবৈধ অনুপ্রবেশ মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তার জন্য গুরুতর হুমকি হয়ে উঠেছে।
ডোনাল্ড ট্রাম্প বলে, মাদক সন্ত্রাস এবং সীমান্ত অনুপ্রবেশ ঠেকাতে যা করা দরকার, আমরা তাই করব। কেউ যদি আমাদের সতর্কবার্তা উপেক্ষা করে, তাহলে তার ফল ভোগ করতেই হবে।
ভেনিজুয়েলার ঘটনার উদাহরণ টেনে সে ইঙ্গিত দেয়, প্রয়োজনে অন্য দেশগুলোর ক্ষেত্রেও কঠোর ব্যবস্থা নিতে পারে ওয়াশিংটন। বিশেষ করে কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রোর উদ্দেশে কড়া ভাষায় সতর্কবার্তা দেয় ট্রাম্প।
ট্রাম্প বলে, কলম্বিয়া সরকার যেন নিজেদের দায়িত্ব ঠিকভাবে পালন করে এবং মাদক কার্টেল দমনে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়। ট্রাম্পের এই বক্তব্য কূটনৈতিক শালীনতা লঙ্ঘন করেছে বলে ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।
মেক্সিকো ও কিউবার ক্ষেত্রেও একই ধরনের অভিযোগ তুলে ট্রাম্প বলে, এসব দেশ থেকে মাদক ও অপরাধ চক্রের প্রভাব যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরে ছড়িয়ে পড়ছে।
নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই বক্তব্য লাতিন আমেরিকার প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসী পররাষ্ট্রনীতির ইঙ্গিত বহন করছে। ভেনিজুয়েলার ঘটনার পর নতুন করে কলম্বিয়া, মেক্সিকো ও কিউবাকে লক্ষ্য করে দেওয়া এই হুঁশিয়ারি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য উদ্বেগজনক বলে মনে করছে তারা।
এদিকে ট্রাম্পের মন্তব্যের পর লাতিন আমেরিকার বিভিন্ন দেশে ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, এ বক্তব্যের জেরে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সম্পর্ক আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠতে পারে।
Your Comment